ইরানের রাজধানী তেহরানে সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন নারীরাও। রোববার (৪ অক্টোবর) মধ্য তেহরানের ইমাম হোসেইন স্কয়ারে আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে দেখা যায়।
ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতিতে জাতীয় প্রতিরক্ষায় সাধারণ নাগরিকদের প্রস্তুত রাখার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সংকটকালীন পরিস্থিতিতে নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে নাগরিকদের প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক অভিযান কিংবা ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কার মধ্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ সাধারণ মানুষকে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে পারে। তবে কর্মসূচিকে ঘিরে কিছু উদ্বেগও রয়েছে।
বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে ভারী অস্ত্র তুলে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিশুদের মধ্যে সামরিকীকরণের ধারণা তৈরি হওয়াও উদ্বেগের কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে ইরানের অনেক নাগরিকের দাবি, বিশ্বের অন্যতম সামরিক শক্তিধর দেশের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেও তারা টিকে আছেন—এটাই তাদের দৃঢ়তার প্রমাণ। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের জনগণের মনোবল দুর্বল করার যে মার্কিন প্রচেষ্টা চলছে, শেষ পর্যন্ত তা সফল হবে না।
Leave a Reply